নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদল হলেও মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল (ইআরআই)-এর নেতারা।
বাংলাদেশে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে গতকাল বুধবার লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে ইআরআই-এর উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সরোয়ার হোসেন সাজু-এর সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি সৈয়দ আব্দুল আজিজ মিলাদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রুকতা হাসান, মোহাম্মদ ওসমান গনি, মোহাম্মদ হাসনাত আল হাবিব, মোঃ আনোয়ারুল আমিন, রুবেল আহমদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম, উইমেন রাইটস সেক্রেটারি মোমতাহিনা জাহান নাদিয়া, মাইনোরিটি রাইটস সেক্রেটারি গৌতম কুমার সেন খোকন, পাবলিসিটি সেক্রেটারি আব্দুল সালাম, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্রেটারি কুতুব উদ্দিন ও সাদমান শরীফ, পাবলিসিটি সেক্রেটারি তোফায়েল আহমেদ, মিডিয়া অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি শাকিল আহমেদ সোহাগ এবং ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি রুহুল আমিন তোফায়েল এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি শাহান আহমেদ শাহিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সাহান মিয়া, পাবলিসিটি সেক্রেটারি মামুদুল কারীম চৌধুরী।
এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ইয়াজ কাউসার, আব্দুল্লাহ আল জাবির, বেলাল আহমেদ রনি, কাজী মোহাম্মদ ইমদাদ, সাইদুল ইসলাম, লোকমান হাকিম, তাহমিনা আক্তার, ফেরদৌসী আক্তার রুনা, সৌরভ চৌধুরী, মোহাম্মদ লিটন আলী মোল্লা, তাবাসসুম শাফাসহ আরও অনেকে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের মানুষ নতুন করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
তারা আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা ছিল জনগণের। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গত এক মাসে হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের মতো ঘটনায় দেশে এক আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বক্তারা অভিযোগ করেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা সংকুচিত করা হচ্ছে এবং সংখ্যালঘু নির্যাতন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্নভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নানা ধরনের অত্যাচার ও নির্যাতন চালাচ্ছে, যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

