স্টাফ রিপোর্টার
ভারতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল ( ইআরআই) এর উদ্যোগে লন্ডনে ভারতীয় হাই কমিশনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে ভারতের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বিজেপি সরকারের জবাবদিহিতা দাবি করেন অংশ গ্রহনকারীরা।
ইআরআইয়ের প্রেসিডেন্ট মাহবুব আলী খানশূরের সভাপতিত্বে ও ভাইস প্রেসিডেন্ট রোকতা হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইআরআইয়ের উপদেষ্টা ডঃ আফরোজা আকতার।
সমাবেশে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, স্ট্যান্ড ফর হিউম্যান রাইটসের জেনারেল সেক্রেটারি উজ্জ্বল আলম চৌধুরী, মাইনোরিটি রাইটস সেক্রেটারি মোঃ আকরাম হোসাইন, ইআরআইয়ের সহ-সভাপতি রুবেল আহমদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি সৈয়দ আব্দুল আজিজ মিলাদ, মাইনোরিটি সেক্রেটারি তাহমিনা আক্তার, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি কাকলি আক্তার, মাইনোরিটি রাইট সেক্রেটারি বাপ্পি রঞ্জন তালুকদার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রেজাউল করিম রাব্বি।
উক্ত বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ইআরআইয়ের মাইনোরিটি রাইট সেক্রেটারি আইন উদ্দিন, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি সোহরাব উদ্দিন রোমান, ইআরআইয়ের সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহমুদ হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি রাহাদুল ইসলাম, ইআরআইয়ের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এবিএম আকরাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ জাবেদ আহমেদ, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ সোহরাব আলী, মোঃ হানিফ আহমেদ, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি সায়েম আহমদ , মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি আবু জেহাদ,পাবলিসিটি সেক্রেটারি আব্দুল সালাম, পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম জিসান, ইআরআইয়ের এর সদস্য, আখতারুজ্জামান, শাহ মোঃ হাসান মাহমুদ, ডব্লিউআরআইয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সামির আহমেদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জান্নাত, এক্সিকিউটিভ মেম্বার জুয়েল আহমেদ মাহিন, এক্সিকিউটিভ মেম্বার রেখা আক্তার, জুয়েল আহমেদ প্রমূখ। এছাড়া ওই সমাবেশে শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী, সমাজনেতা এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডঃ আফরোজা আকতার বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও ভিন্নমত প্রকাশ নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু ভারতে বিজেপি সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বাধা দিয়ে নারীসহ সাধারণ মানুষদের নির্যাতন করছে। আমরা ভারতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে নাগরিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানাই।
সমাবেশে নিট ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেভাবে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে, তেমনি ভারতেও কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির পতন ঘটবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা খাতের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নরেন্দ্র মোদি সরকার দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তির ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
সমাবেশে সেইভ মাইনোরিটি, প্রটেক্ট মাইনোরিটি , ‘ভারত থেকে বাংলাদেশ, ফ্যাসিবাদের দিন শেষ’, ‘কসাই মোদি, ছাড়তে হবে গদি’, ‘স্টে ডাউন মোদি’, ‘সলিডারিটি উইথ দিল্লি’ প্রভৃতি স্লোগানসংবলিত ফেস্টুন প্রদর্শন করেন অংশগ্রহণকারীরা।

