নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিবিসি সহ আন্তর্জাতিক মিডিয়া গুলোর বিশেষ ভূমিকা কামনা করেন ইআর আইয়ের বিক্ষোভ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী বক্তারা।
উক্ত বিক্ষোভ মানববন্ধনের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মো: রোকতা হাসান। এতে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইনকিলাব মঞ্চ ইন্টারন্যাশনালের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, স্ট্যান্ড ফর হিউম্যান রাইটসের জেনারেল সেক্রেটারি উজ্জ্বল আলম চৌধুরী, ডব্লিউআরআইয়ের সভাপতি নাদিয়া ফাতেমা ও ইআরআইয়ের সেক্রেটারি জেনারেল নওশীন মুস্তারিয মিয়া সাহেব।
উক্ত বিক্ষোভ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইআর আইয়ের সহ-সভাপতি রুবেল আহমদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি সৈয়দ আব্দুল আজিজ মিলাদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ ইউসুফ মিয়া, মাইনোরিটি সেক্রেটারি তাহমিনা আক্তার, আইন উদ্দিন, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি সোহরাব উদ্দিন রোমান, ডব্লিউআরআইয়ের জয়েন্ট সেক্রেটারি সাংবাদিক ফারিয়া আক্তার সুমি, ডব্লিউআরআইয়ের উইমেন রিসার্চ সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, পাবলিসিটি সেক্রেটারি মায়েদা হুসাইন রাফা, উইমেন অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি আয়েশা আক্তার মুন্নি, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ছাত্রদলের জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান প্রমূখ।
উক্ত বিক্ষোভ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ইআরআইয়ের মোঃ বদরুল ইসলাম, স্ট্যান্ড ফর হিউম্যান রাইটসের অফিস সেক্রেটারি সৈয়দ জুয়েল, ইআরআইয়ের সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহমুদ হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি রাহাদুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রেজাউল করিম (রাব্বি), অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মায়েদা হোসেন রাফা, ইআরআইয়ের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এবিএম আকরাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মো: জাবেদ আহমেদ, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ সোহরাব আলী, মোঃ হানিফ আহমেদ, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি সায়েম আহমদ, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি কাকলি আক্তার, মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম, ক্যাম্পেইন সেক্রেটারি আবু জেহাদ,পাবলিসিটি সেক্রেটারি আব্দুল সালাম, পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম জিসান, ইআরআইয়ের এর সদস্য, আখতারুজ্জামান, শাহ মোঃ হাসান মাহমুদ, ডব্লিউআরআইয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সামির আহমেদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জান্নাত, এক্সিকিউটিভ মেম্বার জুয়েল আহমেদ মাহিন, এক্সিকিউটিভ মেম্বার রেখা আক্তার, জুয়েল আহমেদ প্রমূখ।
মো: ওসমান গনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদীর হত্যা বাংলাদেশের জন্য একটি অশনি সংকেত। তিনি দেশী ও বিদেশী ষড়যন্ত্রের শিকার। এই হত্যার বিচার না হলে বাংলাদেশ শিগগিরই অস্তিত্বের সংকটে পড়তে পারে।
রুবেল আহমদ বলেন, যদি বর্তমান সরকার জুলাই সনদ বাস্তবের না করে এবং হাদি হত্যার বিচার না করে তাহলে তাদের অবস্থা হবে বিগত সরকারের মত। বিগত স্বৈরাচার সরকার পার্শ্ববর্তী দেশে পালাতে সক্ষম হয়েছে কিন্তু বর্তমান সরকার সেই সুযোগটি ও পাবে না।
নিজাম উদ্দিন বলেন, জুলাই সনদে স্পষ্ট তো বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলা আছে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গুম অধ্যাদেশের কথা বলা আছে। কিন্তু এ সরকার এমন গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যাদেশকে বাতিল করেন। যাহা স্পষ্টত জাতির সাথে গাদ্দারী ছাড়া কিছুই নয়।
নাদিয়া ফাতেমা বলেন, বিগত সরকারের সময় বাংলাদেশের নারীরা যখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল ঠিক তখনই ছাত্র-জনতা নারীদের অধিকার নিশ্চিত করনের জন্য জুলাই আন্দোলন করেন। কিন্তু বিএনপি সরকার যেন পতিত স্বৈরাচার সরকারের ভূমিকাই এখন পালন করছেন। প্রতিনিয়ত শিশু নারী ধর্ষণ হচ্ছে কিন্তু এসব নিরোধের সরকারের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নাই।
মোঃ রোকতা হাসান বলেন, ইমাম হোসেন বলেন জুলাই আন্দোলনের ফল হিসেবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আছেন। কিন্তু আমরা দেখতে পাই সরকার ক্ষমতা আসার পর থেকে তালবাহানা করছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন না। তাই আমরা সরকারের এই দ্বিমুখী নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সমাপনী বক্তব্যে মো: ইমাম হোসেন বলেন, একটা দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় গণ রায়ের মাধ্যমে। জুলাই রেফারেনডাম এর মাধ্যমে জনগণ “হাঁ”ভোট দিয়ে তাদের গণরায় দিয়েছে। তাই বর্তমান সরকারের উচিত এই গণরায় একটি প্রতিষ্ঠা করা। তা না হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মত আরেকটি অভ্যুত্থান এ সরকার দেখতে পাবে। সীমান্ত হত্যার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন আজকে সরকারের জুলাই সনদ নিয়ে তালবাহনার কারণে পার্শ্ববর্তী দেশ সুযোগ গ্রহণ করে আমাদের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত করছে। প্রতিনিয়ত সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করছে। আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের ব্যাপারে বিশ্ব মহলে বিষয়টি উপস্থাপনের জন্য বিবিসি সহ আন্তর্জাতিক মিডিয়া গুলোর বিশেষ ভূমিকা কামনা করছি।


